[1]বল্টু গেছে দোকানে বিষ কিনতে। দোকানদার : ভাই বিষ দিয়া কি করবেন? বল্টু: আত্মহত্যা করব। দোকানদার: ক্যান ভাই? বল্টু:কিছু কিছু জিনিস আছে কাউকে বোঝানো যায় না। দোকানদার: মানে? বল্টু:আজ সকালে আমি গরুর দুধ দোহাচ্ছিলাম। হঠা্ৎ করেগরুটা বাম পা দিয়ে লাথি মারতে লাগল। আমি বাধ্য হয়ে বাশের সাথে বাম পা বেধে রাখলাম। এরপর গরুটা ডান পা দিয়ে লাথি মারা শুরু করল। আমি এবার গরুর ডান পা ও বাশের সাথে শক্ত করে বাধলাম। অবশেষে লেজ দিয়ে বাড়ি মারতে লাগল। ভাবলাম লেজটাও বেধে রাখি। কিন্তু লেজ বাধার জন্য কিছু পেলাম না। শেষমেষ নিজের বেল্ট খুলে বাধতে লাগলাম বেল্ট খোলার কারণে আমার প্যান্ট হঠাৎ করে খুলে গেল। এমন সময় আমার বউ গোয়ালে এসে আমাকে ঐ অবস্থায় দেখলো। ……….এখন আপনিই বলেন আমি আমার বউকে কি করে তা বোঝাব???? বউ আমাকে ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে গেছে। এ জীবন আমি আর রাখতে চাই না। দোকানদার: ভাই কয় টাকার বিষ লাগবে??? [2]দৌড়ে ডাক্তারের কাছে এসে এক ভদ্র মহিলা জানালেন তার স্বামীর পেটে একটা ইঁদুর ঢুকে গেছে। ভয় নেই, ডাক্তার অভয় দিলেন। আপনার স্বামীর মুখের কাছে একটা শুঁটকি নাড়তে থাকুন, ইঁদুর বের হয়ে আসবে। আমিও এসে যাচ্ছি কিছেক্ষণের মধ্যে। বাড়ীতে গিয়ে ডাক্তার সাহেব দেখলেন ভদ্রমহিলা তার স্বামীর মুখের সামনে এক বাটি দুধ ধরে চুকচুক করছেন। কি ব্যাপার ? ডাক্তার বিরক্ত হয়ে বললেন, ইঁদুর কখনো দুধ খায় ? আপনাকে না শুঁটকি নাড়তে বলেছি। তা বলেছেন। ভদ্রমহিলার উত্তর, কিন্তু ইঁদুরটা ধরার জন্য যে ওর পেটে আমি বেড়াল ঢুকিয়ে দিয়েছি। আগে তো ওটা বের করি। [3]আমাগো লাল মিয়াঁর এইবার আঠারো বছর পূর্ণ হইছে। তো লাল মিয়াঁ গেছে ভোটার আইডি কার্ড করতে। কিন্তু ; ; লাল মিয়াঁর ভোটার আইডি কার্ডে ভুলে নাম লিখে ফেলেছে বাল মিঁয়া। তা দেখে তো লাল মিয়াঁর মন খারাপ । এখন সে থানায় দরখাস্ত করলো এইভাবে,,,, ,, . . . . . ,, স্যার, "আমার বাল কেটে লাল করে দিন।"
আসুন কিছু মজার জোকস পড়ি [জোকস সমগ্র]
Info Post

0 comments:
Post a Comment